আবদুল হামিদ ২০১৩ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আসনে উঠেছিলেন। তিনি ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দুই পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার মূল অবদানগুলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শাসন ব্যবস্থার উন্নতিতে দেখা যায়। তিনি গণতন্ত্রের মূল্যবোধ ও সামরিক বাহিনীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য চেষ্টা করেছিলেন।
হামিদের সময়ে বাংলাদেশে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ চলেছিল, যার মধ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং সংস্কৃতির উন্নতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি স্বপ্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংবাদ প্রচারের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য প্রচেষ্টা করেছিলেন। তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির সমর্থন দিয়েছিলেন।
আবদুল হামিদ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়গুলোতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি সাধারণ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণে ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি দেশের বৈরাগ্যপূর্ণ ও স্বাধীন বিচারতন্ত্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে সমর্থন দিয়েছিলেন, যা দেশের শাসন ব্যবস্থার মূল্যবোধ বাড়ানোতে সহায়তা করেছিল। তার মাধ্যমে অনেক উন্নয়নমূলক কাজে নতুন সুযোগ এবং উদ্যোগ সৃষ্টি হয়েছিল।