টাকার মুল্য নির্ধারণ কিংবা মুল্যায়ন একটি জটিল প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে। অর্থনৈতিক প্রস্থতিতে টাকার মুল্য মূলত সরকার, মধ্য ব্যাঙ্ক (যেমন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক) এবং অর্থনৈতিক বাজারের বিভিন্ন অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা নির্ধারণ করা হয়। এই মুল্য প্রাথমিকভাবে একটি মুদ্রার খরচযোগ্যতা এবং স্থিতিশীলতার উপর নির্ভর করে, যা আবার দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, অর্থনৈতিক নীতি, বাজারের চাহিদা এবং প্রস্তুতি এর উপর নির্ভর করে।
আন্তর্জাতিক বাজারে একটি মুদ্রার মূল্য মূলত অন্যান্য মুদ্রার সাথে তার মূল্যের তুলনায় নির্ধারণ করা হয়। এই মূল্য বিনিময়ের হারকে বলা হয় এক্সচেঞ্জ রেট। এক্সচেঞ্জ রেট নির্ধারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক বাজার, বিশেষত ফরেক্স (Foreign Exchange) বাজারের মুদ্রা বিনিময় প্রক্রিয়াটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক্সচেঞ্জ রেট প্রভাবিত হয় দেশের অর্থনৈতিক সুষ্ঠুতা, জাতীয় ঋণ বা দেবতা, বাণিজ্য ত "-> ব্যালেন্স অফ পেমেন্টস, রাজনৈতিক দৃঢ়তা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ঘটনার উপর।
স্বল্পস্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদী মুদ্রা মূল্যায়নের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। স্বল্পস্থায়ী মূল্যায়ন মূলত দৈনিক বা সপ্তাহের মধ্যে ঘটে, এটি বাজারের নিয়মগুলো এবং সম্প্রতি ঘটিত ঘটনার উপর নির্ভর করে। আর দীর্ঘমেয়াদী মূল্যায়ন দেশের অর্থনৈতিক প্রকৃত সুষ্ঠুতা, প্রাদূর্ভাব এবং ভবিষ্যদ্বাণীর উপর ভিত্তি করে করা হয়। এই মূল্যায়ন দেশের অর্থনৈতিক নীতি, মুদ্রাস্ফীতির হার, রাজত্বের ঋণ এবং বিদেশি বিনিয়োগের উপর প্রভাব ফেলে।
টাকার মূল্য নির্ধারণ একটি অবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া, যা অর্থনীতির প্রত্যেকটি দিককেই অন্তর্ভুক্ত করে। এটি সরকারের নীতিগুলো, মধ্য ব্যাঙ্কের মুদ্রা নীতি, বিদেশি বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাজারের আবাসনের উপর নির্ভর করে। এই সব ফ্যাক্টরগুলো একটি সমন্বিতভাবে কাজ করে এবং টাকার মূল্যের পরিবর্তন ঘটায়, যা প্রতিদিনের জীবনে যাতে পণ্য ও সেবার খরিদ-বিক্রি, বিদেশি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপর প্রভাব ফেলে।