ঢাকার পরিবেশ সংকট অনেক দিকে প্রভাবিত হচ্ছে। একটি বড় কারণ হলো অপ্রচারিত শহুরতা। ঢাকার জনসংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে, এবং এটি নগরপালিকার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক জায়গায় বাসা-বাড়ি বানানো হচ্ছে যা পর্যাপ্ত পরিকল্পনায় বানানো হয়নি। ফলে, মাঠ, পাকা জমি, বাগান, পুকুর ও নদীর কাছাকাছি অঞ্চলগুলো বাস্তবভাবে নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও, শহরের জলসম্পদ খুব জোর খাটানোর কারণে এগুলো পরিবেশের সম্পদ হিসেবে কাজ করছে না, বরং পরিবেশ নষ্টের কারণ হচ্ছে।
পরিবেশ সংকটের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বায়ু পরিপন্থীতা। ঢাকায় খুব বেশি সংখ্যক বাহন রয়েছে, যার ফলে বায়ু পরিপন্থীতা বেড়ে চলেছে। অনেক উৎপাদন প্রক্রিয়া, বিশেষ করে রুপার ও পারদের বিকিরণ, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অপর্যাপ্ত। শহরের অবশিষ্টাংশ বিন্যাস ব্যবস্থাও খুব খারাপ; অপ্রচারিত অর্থাৎ খোলা স্থানগুলোতে অবशিষ্টাংশ ফেলে দেওয়া হচ্ছে, যা প্রাকৃতিক মালাটির সৃষ্টি করছে।
সরকার ও সামাজিক সংস্থাগুলো এই সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা নির্দিষ্ট এলাকাগুলোতে গাছ রোপণের পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা বায়ু পরিপন্থীতার কমতির একটি পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্যও নতুন নীতি প্রবর্তন করা হচ্ছে, যাতে বাহন ব্যবহার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এছাড়াও, শহরের ক্যানাল ও নদীগুলো নিখোঁজ হওয়ার প্রতিরোধের জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সরকার নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়নের জন্য আরও সমন্বয় ও পরিকল্পনার দিকে ফেরানোর চেষ্টা করছে।
সামাজিক সংস্থাগুলোও এই সমস্যার সমাধানের জন্য অগ্রসর হচ্ছে। তারা গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে পরিবেশ প্রতিপালনের গুরুত্ব বোঝানো যায়। এছাড়াও, পরিবেশ বাচানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হচ্ছে। এসব পদক্ষেপ একত্রে একটি সুন্দর অবকাঠামো তৈরি করছে, যা ঢাকার পরিবেশ সংকটের সমাধান হিসেবে কাজ করতে পারে।