বাংলাদেশ সাদৃশ্য পরীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাগত ক্ষমতা ও যোগ্যতা মূল্যায়ন করা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, সমস্যাসমাধানের ক্ষমতা এবং স্ব-শিক্ষার দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এটি মূলত উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়ার জন্য একটি প্রাথমিক পরীক্ষা, যা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সময় অনুষ্ঠিত হয়।
সাদৃশ্য পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্রদের ক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য প্রশ্নগুলি প্রায়শই বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়, যা তাদের শিক্ষাগত প্রগতি ও সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এই পরীক্ষায় যুক্তি ও তার্কিক ভাবনার ক্ষমতা, ভাষার দক্ষতা, গণিতের দক্ষতা এবং সাধারণ জ্ঞান ও বর্তমান ঘটনার উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি সুনিশ্চিত করার জন্য যে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সময় পর্যাপ্ত যোগ্যতা নিয়ে থাকবেন এবং তারা পরবর্তী শিক্ষার জন্য প্রস্তুত।
এছাড়াও, এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিস্পর্ধামূলক আবেদন প্রক্রিয়া চালু করা এবং সর্বোত্তম ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাধান্য দেওয়া। প্রতিষ্ঠানগুলি এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ প্রদান করে, যা ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে। এই পরীক্ষাগুলি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ ও জ্ঞানার্জনের আগ্রহ তৈরি করে এবং তাদের ভবিষ্যতের শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দেয়।