টিকটোকের চ্যালেঞ্জগুলো একটা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কাজ করে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একই ধরনের ভিডিও তৈরি করে এবং শেয়ার করে। একজন ব্যবহারকারী একটা নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু করতে পারে নির্দিষ্ট একটা ধরনের গতিশীল বা নৃত্য পরিকল্পনা দিয়ে, যা অন্যদের অনুসরণ করতে হয়। এটা সাধারণত একটা হাসির প্রশ্ন, একটা উদ্দীপক বা একটা নতুন ধরনের নাচের ধূম হতে পারে। চ্যালেঞ্জ শুরু হলে অন্য ব্যবহারকারীরা তা দেখে এবং নিজেদের ভিডিওতে অনুসরণ করে সেটা শেয়ার করে।
এই চ্যালেঞ্জগুলো সাধারণত একটা হ্যাশট্যাগ দিয়ে চিহ্নিত হয়, যা সবাই নিজেদের ভিডিওতে ব্যবহার করে। এই হ্যাশট্যাগ গুলো টিকটোকের অ্যালগরিদমকে বোঝায় যে এই ভিডিওগুলো একই চ্যালেঞ্জের অংশ, ফলে তা একই সাথে দেখানো হয় অথবা কিউরেট হয়। এর মাধ্যমে চ্যালেঞ্জের সবার ভিডিও একই সাথে প্রদর্শিত হয়, যা অন্য ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় হয় এবং তারা আরও ভিডিও শেয়ার করার প্রেরণা পায়। এভাবেই চ্যালেঞ্জগুলো তীব্র হয়ে ওঠে এবং প্ল্যাটফর্মের মধ্যে একটা সম্প্রদায়ে রূপান্তরিত হয়।
টিকটোকের চ্যালেঞ্জগুলো অনেক সময় ব্র্যান্ডগুলোও শুরু করে, যা একটা পণ্য বা সেবা প্রচার করতে বা সামাজিক জুমেলাদারি বাড়াতে সাহায্য করে। এই ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো ব্যবহারকারীদের মধ্যে অংশগ্রহণের আগ্রহ তৈরি করে এবং তাদের ক্রিয়েটিভিটি বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটা চিন্তা করো যে কোনো কোম্পানি একটা নতুন পণ্য প্রকাশ করার সময় একটা নতুন চ্যালেঞ্জ চালু করে, যাতে ব্যবহারকারীরা সেই পণ্যের সাথে কীভাবে নতুন কিছু করতে পারে তা দেখাতে বা শেয়ার করতে বলা হয়। এভাবে কোম্পানি তাদের পণ্য সম্পর্কে সরাসরি সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং করতে পারে এবং ব্যবহারকারীরা তাদের বিনোদনের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারে।